উপন্যাস।। চরের মাস্টার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার।। রাহিতুল ইসলাম।। তেরো-চৌদ্দ
১৩. অনেকটা সময় শফিক আলিমুল স্যারের সঙ্গে রইল। স্যারও সব বললেন। পেনশনের সবগুলো টাকা দিয়ে তিলে তিলে তিনি এই স্কুল
Read More১৩. অনেকটা সময় শফিক আলিমুল স্যারের সঙ্গে রইল। স্যারও সব বললেন। পেনশনের সবগুলো টাকা দিয়ে তিলে তিলে তিনি এই স্কুল
Read More১৫. সকালে হইচই শুনে ঘুম ভাঙল শফিকের। গতকাল সে মতিনের সঙ্গে তার নানা প্রজেক্ট ঘুরে দেখেছে। এসবের মধ্যে ছিল পাখি
Read More১৭. প্রথম দুই-এক রাত ঘুমানোর সমস্যা হলেও এরপর শফিকের নিয়মিত ঘুম হতে লাগল। ধীরে ধীরে এই নির্জন প্রকৃতিকে তার খুব
Read More১৯. দীর্ঘদিনের অদর্শনে প্রেমও ফিকে হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ফারিয়ার মনে শফিকের যে জায়গা ছিল সেটা এখনো অক্ষত রয়েছে। ফারিয়া
Read More৮. মতিন সারা দিন রহিম মিয়ার বাড়ির কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকে। বিকেলটায় যখন গরু-বাছুর নিয়ে মাঠে যায় তখন ওর সমবয়সী
Read Moreশফিকের ব্যস্ততা ইদানীং বেড়েছে। সামনে পরীক্ষা। সিলেবাস শেষ হয়নি এখনো। তবে সে যেভাবে প্ল্যান করে এগোচ্ছে তাতে পরীক্ষার বেশ আগেই
Read More৫. পাত্রপক্ষ দেখে গেছে ফারিয়াকে। ছেলেরা বেশ ধনী। আর ছেলেটাকে দেখেও খুব ভদ্র মনে হলো। বড় চাকরি করে, বংশ ভালো।
Read More